Monday, August 23, 2010

দেশের টানে ফিরে আসবো বাবা

দেশের টানে, নাড়ির টানে, মায়ার টানে আমার জন্মভূমি-মাতৃভূমির টানে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে। বিদেশ বিভূইয়ে টাকার জন্য ছুটে বেড়াচ্ছি। আর কত টাকা হলে দেশে যেয়ে শান্তি মত বসবাস করতে পারবো? আর কত টাকা হলে দুমুঠো খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে পারবো। দারিদ্রের কষাঘাতে পিষ্ট হতে হতে বাবা-মায়ের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করে বিদেশ আসা। বাবা তুমি চিন্তা করো না আমি ঠিকই তোমার দুঃখ দূর করবো। মা তোমার জন্য সুখের আবাস ফিরিয়ে দিতেই তো আমার এ বিদেশে আসা। আর মাত্র তো কটা দিন। এবারের ঈদে তোমার অনেক কিছু আনবো। বাবা তোমার জন্য দামি ঈদের পাঞ্জাবী আনবো। ছোট ভাইটার জন্য কিছু খেলনা আনবো। বাবা ভাইটা আমার কত বড় হয়েছে? সেই কবে দেখেছি। একটা ছবি পাঠিয়ে দিও। আমার আগের ঠিকানাটা বদলেছি। অফিসের কাছাকাছি বাসা নিয়েছি। তোমাকে ঠিকানা দিয়ে দিব। করিম চাচার কাছে আমার ঠিকানা দিয়েছি তুমি সময় করে চেয়ে নিও। আর কিছু টাকা পাঠিয়েছি এবারের বর্ষায় আমাদের ঘরটা একটু মেরামত করো।

যারা আছো পরবাসে

যারা আছো পরবাসে তাদের জন্য আমার অনেক অনেক সালাম। তোমরা বিদেশে থেকে কত কষ্ট করে দেশের জন্য রোজগার করছো। দেশে তোমার মা, বাবা, ভাই, বোন, আত্মীয়-স্বজন আছে। তারা তোমার জন্য পথ চেয়ে আছে। কোথায় আছ কেমন আছ তারা তা জানে না। তোমার মা তোমাকে কত কষ্ট করে বড় করে তুলেছেন। বাবা তোমাকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মত মানুষ করে দিয়েছেন। তোমাকে বিদেশে পাঠিয়ে তারা পথ চেয়ে আছেন। কখন তার ছেলে বাড়ি ফিরে আসবে। কখন এসে ডাক দিবে মা মা বলে। বাবা বলে বুকে জড়িয়ে ধরবে। কত কথা জমে আছে তাদের মনে। বিদেশে কেমন আছে তার ছেলে। ঠিকমতো খায় তো? আমার ছেলের শরীর-স্বাস্থ্য কেমন আছে?

আমার ছেলেবেলা

অনেক আগে ছোটবেলায় যখন কিছু বোঝার বয়স হয়নি তখন থেকেই মাটি দিয়ে কিছু তৈরী করার চেষ্টা করতাম। এই ধরুন কার গাড়ি, বাস, মাইক্রোবাস, ঘড় বাড়ি এরকম আরও কত কি। কাগজ দিয়ে বানাতাম নৌকা, প্লেন, শাপলা ফুল। আমাদের বাড়ির পাশেই ছিল একটি পুকুর। পুকুরে নৌকা ভাসাতাম, ঘর-বাড়িগুলো রোদে শুকিয়ে রাখতাম। সেগুলো শক্ত হয়ে যেত। আর বাসায় সাজিয়ে রাখতাম। বৃষ্টি হলে পুকুর ভেসে যেত। সেখান থেকে মাছ উঠে রাস্তায় চলে আসতো। অনেক মাছ ধরেছি রাস্তা থেকে। বিশেষ করে কৈ মাছ কান দিয়ে হেটে হেটে চলে আসতো। পুকুরে বাড়শি দিয়ে মাছ ধরতে দিত না কিন্তু বর্ষার বৃষ্টি পুকুর ভাসিয়ে নিলে মাছগুলোকে আর আটকে রাখতে পারতো না। সেগুলোই কুড়িয়ে কুড়িয়ে বাসায় নিয়ে যেতাম। তার পেচিয়ে পেচিয়ে তার সাথে ম্যাচ বাক্সের খোল দু'পাশে লাগিয়ে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত কথা বলাতাম। বৃষ্টিভেজা দিনে ফুটবল খেলতে মাঠে চলে যেতাম। শরতের দিনে কলেজ মাঠে গিয়ে ঘুড়ি উড়িয়েছি।

Sunday, August 22, 2010

কল বাংলাতে আপনাকে স্বাগতম

কলবাংলাতে আপনাকে স্বাগতম। আপনি যেখানেই থাকেন না কেন, আপনাকে আপনার দেশের কাছাকাছি রাখতে এবং আপনার কাছের মানুষের সাথে স্বাচ্ছন্দে কথা বলতে আমরা নিয়ে এসেছি সাশ্রয়ী কল রেট। আমাদের সর্বনিম্ন কল রেট নিয়ে আপনি কথা বলতে পারবেন পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে। আমরা আপনাকে খুব কম মূল্যে কল রেট প্রভাইড করছি। - কলবাংলা।

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites